ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, যেখানে আঘাত করতে পারে।

লেখক: ডেস্ক রিপোর্টার
প্রকাশ: ১৪ ঘন্টা আগে

ডেস্ক রিপোর্টঃ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি লঘুচাপ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এই নিম্নচাপ পরে ‘অর্ণব’ নামের ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ঘূর্ণিঝড়টি মূলত ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, থাইল্যান্ড উপকূল থেকে ইতোমধ্যে লঘুচাপটি আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ শুক্রবার থেকে আগামীকাল শনিবারের মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।আন্দামান সাগর থেকে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর এই নিম্নচাপ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে আরও শক্তিশালী হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের মডেল জিএফএস অনুযায়ী, এই সিস্টেম বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে অক্টোবরের শেষ দিকে। ২৩ অক্টোবর এটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। উত্তর-পশ্চিম দিকে আরও শক্তিশালী হয়ে এটি ২৫ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এই মডেল অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি ওড়িশা উপকূলে আঘাত হানতে পারে। আগামী ২৭ অক্টোবর রাতের দিকে এটি ভুবনেশ্বরের কাছাকাছি আঘাত হানতে পারে।তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়ার বিশ্ববিখ্যাত প্ল্যাটফর্ম উইন্ডিডটকমের রিয়েল টাইম আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ২৭ অক্টোবর দিবাগত রাতে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এদিকে ইউরোপিয়ান মডেল ইসিএমডব্লিউএফ অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর নিম্নচাপ তৈরি হবে। ২৬ অক্টোবর সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ২৮ অক্টোবর দুপুরে অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া সংলগ্ন এলাকায় এটি স্থলভাগে ঢুকতে পারে।

যেভাবে ঝড়ের নামকরণ:

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ১৩টি দেশের (বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইয়েমেন ও ইরান) দেওয়া নামের একটি পূর্বনির্ধারিত ক্রম তালিকা থেকে সিরিয়াল অনুযায়ী নামকরণ করা হয় ঘূর্ণিঝড়ের। যখন কোনো নিম্নচাপ বা গভীর নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে সাইক্লোনিক স্টর্মের রূপ নেয়, তখন এই তালিকা থেকে নাম ব্যবহার করা হয়। এই তালিকা অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হবে ‘অর্ণব’। বাংলাদেশের দেওয়া এই নামের অর্থ ‘সমুদ্র’ বা ‘সাগর’।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন