হুতিদের হামলার জবাবে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি সৌদি মন্ত্রীর।

লেখক: ডেস্ক রিপোর্টার
প্রকাশ: ৭ ঘন্টা আগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সৌদি আরবের বিমানবন্দর এবং তেল-গ্যাস স্থাপনায় প্রাণঘাতী হামলার জবাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সালমান। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনাগুলো গুরুতর। তাই সৌদি আরবের জবাবও সমান কঠোর হতে হবে।

Monday (12 October) বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Sunday (11 October) রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি টার্মিনালে হামলায় এক পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হন বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এর আগের দিন আরেকটি টার্মিনালে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন নিহত হন। এ ঘটনায় টার্মিনালটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

হুতিরা দাবি করেছে, পশ্চিম ইয়েমেনে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সৌদি আরবের ‘নৃশংস আগ্রাসনের’ জবাবে এসব হামলা চালানো হয়েছে। Sunday রাজধানী সানায় একটি বাড়িতে সৌদি বিমান হামলায় এক শিশু নিহত ও ৬ জন আহত হওয়ার কথাও জানিয়েছে হুতি-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

এদিকে রিয়াদে অনুষ্ঠিত বিশ্ব পেট্রোলিয়াম কাউন্সিলের (ডব্লিউপিসি) জ্বালানি সম্মেলনে সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দেশটির অবকাঠামো, প্রতিষ্ঠান, জনগণ ও সংকট মোকাবিলার সক্ষমতার পরীক্ষা নিয়েছে। তবে সব চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারেয়া দাবি করেন, সৌদি আরবের বিমানবন্দর এবং পূর্বাঞ্চলের দুটি তেল-গ্যাস স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ইয়েমেনে গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি আরবের ১২৪টি বিমান হামলার জবাবে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বেসামরিক মানুষ ও স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে সতর্ক করেন তিনি।

২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। পরের বছর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দেশটির সরকারকে পুনর্বহালের লক্ষ্যে সামরিক হস্তক্ষেপ করে। দীর্ঘ সংঘাতের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও জ্বালানি অবকাঠামো নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সূত্র: বিবিসি