১৮ বছর পর পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল দক্ষিণ আফ্রিকা।

লেখক: ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

স্পোর্ট ডেস্ক:

দীর্ঘ ১৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাল দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০০৭ সালের পর এই প্রথম পাকিস্তানের ঘরের মাঠে টেস্ট ম্যাচে জয় পেল প্রোটিয়ারা। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে স্বাগতিকদের ৮ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছে তারা।বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩৮ রানে।

ফলে জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে ছিল ৬৮ রানের সহজ লক্ষ্য, যা তারা অনায়াসেই পেরিয়ে যায়।এর আগে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে করে ৩৩৩ রান। জবাবে প্রোটিয়ারা একসময় ২১০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল। কিন্তু নবম উইকেটে সেনুরান মুথুশামি ও কেশভ মহারাজের ৭১ রানের জুটি এবং শেষ উইকেটে মুথুশামি (৮৯*) ও কাগিসো রাবাদার (৭১) অবিশ্বাস্য ৯৮ রানের পার্টনারশিপে দলটি পৌঁছে যায় ৪০৪ রানে।

এতে ৭১ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড নেয় সফরকারীরা।চতুর্থ দিনে পাকিস্তান ৪ উইকেটে ৯৪ রান নিয়ে খেলতে নামে। বাবর আজম (৫১) ফিফটি পূর্ণ করলেও তার বিদায়ের পর দলটি আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। পরপরই মোহাম্মদ রিজওয়ান (১৮), নোমান আলি (০) ও শাহিন আফ্রিদি (০) সাজঘরে ফেরেন। ফলে দ্বিতীয় ইনিংস থামে মাত্র ১৩৮ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার সিমন হার্মার একাই নেন ৬ উইকেট, সঙ্গে কেশভ মহারাজের ২ উইকেট।৭১ রানের লিড বাদ দিলে প্রোটিয়াদের সামনে ছিল মাত্র ৬৭ রানের টার্গেট। সেই ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং করেন অধিনায়ক মার্করাম ও রায়ান রিকেলটন। মার্করাম ৪২ রানে আউট হলেও রিকেলটন ২৫ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। মাঝে ত্রিস্তান স্টাবস শূন্য রানে আউট হন। পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের একমাত্র সফল বোলার ছিলেন নোমান আলি, যিনি নেন ২ উইকেট।