বিশেষ প্রতিনিধি, আলমডাঙ্গা, ১৭ জুলাই, ২০২৫: আলমডাঙ্গায় সাপের দংশনে ১৪ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র তারিন এন্টিভেনমের অভাবে মারা গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদী ইউনিয়নের বাড়াদী গ্রামে নিজ ঘরেই বিষধর সাপের দংশনের শিকার হয় সে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সাপে দংশনের পর দ্রুত তারিনকে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে এন্টিভেনম না থাকায় আক্রান্ত কিশোরকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুর্ভাগ্যবশত, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালেও এন্টিভেনমের মজুত ছিল না। নিরুপায় হয়ে দংশিত কিশোরকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ততক্ষণে তারিনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তির কিছুক্ষণের মধ্যেই তারিন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। নিহত তারিন বাড়াদী ইউনিয়নের বাবুলের ছেলে।
এলাকাবাসী এবং নেটিজেনদের মধ্যে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, যেখানে সাপের দংশনে রোগীর জীবন বাঁচাতে প্রতিটি মিনিট মূল্যবান, সেখানে জেলা সদর হাসপাতালে এন্টিভেনমের মতো জরুরি ঔষধ মজুত থাকবে না কেনো? প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে গ্রামীণ এলাকায় সাপের কামড়ের ঘটনা বৃদ্ধি পেলেও উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে চিকিৎসার এই দুর্বল ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকগণ।
