{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}
কলম্বো, শ্রীলঙ্কা – শ্রীলঙ্কার জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, কলম্বো শহরে এক লিটার বোতলজাত পানির দাম ১৩০ রুপি, যেখানে গলে ফোর্টে এটি ১৫০ রুপি পর্যন্ত গিয়ে থাকে। তবে গলে ফোর্টের এক প্রবীণ বিক্রেতা মাত্র ৮০ রুপিতে এক লিটার বোতলজাত পানি বিক্রি করেন, যা স্থানীয়দের জন্য স্বস্তির খবর।
এছাড়া কলম্বো শহরে আটার রুটি বিক্রি হয় ১২০ রুপিতে, যা সাধারণত প্রস্তুতকৃত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং সঙ্গে থাকে পেঁয়াজের সস। দেশটির অন্যতম জনপ্রিয় বিস্কুট ‘লাইট মেরিয়া’ মাত্র ৫০ রুপিতে কেনা যায়। সরকারি দোকানে এক কেজি ফ্রেশ দুধের দাম ৫৬০ রুপি, আর এক কেজি পেঁপের দাম ২৮০ রুপি, তবে বিভিন্ন স্থানে পেঁপের দাম ওঠানামা করতে দেখা যায়। ডাবের মূল্যও বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন— ১০০ রুপি থেকে ২৫০ রুপি পর্যন্ত ওঠানামা করে। তবে ডাবের তুলনায় সিগারেটের মূল্য অনেক বেশি— একটি প্যাকেটে যেখানে বিশটি সিগারেট থাকে, তার মূল্য ৩৪০০ রুপি। এক খালি ডিমের দাম ১৩০ টাকা। কলা এখানে কেজি হিসাবে বিক্রি হয়— এক কেজি পাকা কলার দাম ১৪০ টাকা— তবে পর্যটন এলাকার বিশেষ বিশেষ জায়গায় কলার দাম কেজি প্রতি প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়ে যায়।
দ্রব্যমূল্যের বিশ্লেষণে দেখা যায়, এক কেজি আলুর দাম ৩০০ রুপি, এক কেজি টমেটোর দামও একই। গরুর মাংসের ক্ষেত্রে দাম অত্যন্ত বেশি— এক কেজির জন্য ২৬০০ রুপি গুনতে হয়। সাধারণ চালের কেজি ২৬০ রুপি, চিনি ২৩৫ রুপি, গাভীর দুধ ২৪০০ রুপি, পেঁয়াজ ২০০ রুপি, আদার দাম ১০০০ রুপি পর্যন্ত গিয়ে থাকে।
যানবাহনের ক্ষেত্রে পাবলিক বাস বেশ সুবিধাজনক ও এর ভাড়া যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত। তবে ট্রেনে সবসময় আসন পর্যাপ্ত থাকে না, যদিও ট্রেনের ভাড়া তালিকা যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক। অন্যদিকে, সিএনজি, যা স্থানীয়ভাবে ‘টুক টুক’ নামে পরিচিত, মিটারে চলার কথা থাকলেও বেশিরভাগ চালক এই নিয়ম মানেন না। রাজধানী ও অন্যান্য শহরে অনেক ক্ষেত্রে ৫০০ রুপির ভাড়া ৫০০০ রুপিতে রূপান্তরিত হয়, যা যাত্রীদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শ্রীলঙ্কার বর্তমান বাজার ও পরিবহন ব্যবস্থার এই চিত্র সাধারণ জনগণ ও পর্যটকদের জন্য নতুন চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। সরকারের উচিত দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং যানবাহন ব্যবস্থাপনায় কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা।





