নিজস্ব প্রতিনিধি:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। সেই সমীকরণের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে গণঅধিকার পরিষদের দ্বিতীয় ধাপের প্রার্থী তালিকা। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৫০ আসনে দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তালিকায় চাঁদপুর-১ (কচুয়া) সংসদীয় আসন, যা ২৬০ নম্বর আসন হিসেবে পরিচিত, সেখান থেকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এনায়েত হাসিব।এনায়েত হাসিব বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনের সূচনালগ্ন থেকেই তিনি দলের প্রচার, সাংগঠনিক তৎপরতা এবং গণযোগাযোগ কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
বিভিন্ন আন্দোলন, কর্মসূচি, প্রচার-প্রচারণা ও মিডিয়া সমন্বয়ে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। দলের ভেতরে তাঁর এই দীর্ঘদিনের সক্রিয়তা ও নেতৃত্বের অভিজ্ঞতাকে মূল্যায়ন করেই কচুয়া অঞ্চলে তাঁকে নতুন বিকল্প নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচনা করছে গণঅধিকার পরিষদ।স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণচাঁদপুর-১ আসনে এনায়েত হাসিবের মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় নতুন রাজনৈতিক আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দুটি-তিনটি দলের আধিপত্য থাকা এই আসনে নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলটি তার সংগঠনকে চাঁদপুর জেলায় আরও শক্তিশালী করতে চাইছে, আর সেই লক্ষ্যেই তরুণ ও দক্ষ নেতৃত্বকে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে তারা।
এখন নজর থাকবে—এনায়েত হাসিব কীভাবে মাঠে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন, কীভাবে দলের মূল বার্তা ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেন এবং কতটা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে সক্ষম হন। পাশাপাশি, অন্যান্য দলগুলো এই নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কী কৌশল গ্রহণ করে তাও স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।আসন্ন জাতীয় নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই চাঁদপুর-১ আসনটি নিয়ে উত্তাপ বাড়ছে; আর সেই উত্তাপের নতুন কেন্দ্রবিন্দু এখন এনায়েত হাসিব এবং তাঁর নির্বাচন-প্রস্তুতি।
