যশোরের মনিরামপুরে একটি বিতর্কিত ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের মাছের ঘেরের মাছ ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার জেরে এই ঘটনা ঘটে।
শনিবার দুপুরে কালিবাড়ি থেকে কপালিয়া বাজারে মাছ বিক্রির উদ্দেশ্যে আলম সাধুতে করে মাছ পরিবহন করা হচ্ছিল। পথে একটি সংঘবদ্ধ দল মাছ ভর্তি আলম সাধু আটকে মাছ লুট করে। পরবর্তীতে এসব মাছ কপালিয়া বাজারে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লেখক ভট্টাচার্যের ঘেরটি ঘুঘুদহ গ্রামে অবস্থিত। ৫ আগস্টের পর থেকে ঘেরের দেখভাল করছিলেন স্থানীয় কিছু যুবক। তারা মাছ ধরে বিক্রির উদ্যোগ নিলে বিএনপি নেতা-কর্মীরা বাধা দেন।
এ ঘটনায় অভিযোগ করা হয়, জামায়াতের নেতা আবুল বাশার, মাওলানা লিয়াকত আলী, মাওলানা আলী হাসান ও মাওলানা হাশেম আলীর মাছ লুট হয়েছে। তারা দাবি করেন, একটি সশস্ত্র দল তাদের আলম সাধু আটক করে এবং মাছ লুটে নেয়।
বিএনপি নেতাদের দাবি, ঘটনাটি জানার পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মাহবুব ও রাজিব নামে দুই জনকে চিহ্নিত করা হয়। পরে মাছ বিক্রির প্রায় ৮৯ হাজার টাকা উদ্ধার করে মালিকদের ফেরত দেওয়া হয়। বিএনপির স্থানীয় নেতারা জানান, এই দুই ব্যক্তি তাদের সংগঠনের সাথে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, মনিরামপুর থানার ওসি নূর মোহাম্মদ গাজী জানিয়েছেন, থানায় এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি এবং ঘটনাটি তাদের অজানা।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। থানায় অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
