পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় পৌর শহরের আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যবসায়ীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে প্রতিপক্ষরা। ওই দাবীকৃত টাকা না দিলে তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। সন্ত্রাসীদের হামলায় কমপক্ষে ৪ জন আহত হন।
বুধবার দিনগত গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব লক্ষীপুরা গ্রামে ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভান্ডারিয়া থানা পুলিশ রুহুল আমীন হাওলাদার (৪০) নামে এক আসামীকে গ্রেফতার করে আজ শুক্রবার জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে ।
আহতরা হলেন, ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক,তার পিতা দলিল উদ্দিন শিকদার, মাতা জাহানারা বেগম, ভাই জলিল শিকদার ও ভাবি রুমি বেগম ।
ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সান্ত্রাসী হামলার শিকার আব্দুর রাজ্জাক পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ভান্ডারিয়া বাজারে তার বিভিন্ন রকমের গার্মেন্টস এবং জুতার দোকান সহ মোট ১০ টি শো-রুম রয়েছে । ব্যবসায়ী পরিবার নিয়ে ব্যবসায়ীক কাজের কারনে ভান্ডারিয়া বাজারে ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করেন। প্রতিপক্ষের সাথে তার মামলা মোকাদ্দামা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। উক্ত বিরোধের জের ধরে বিবাদী জামিরতলা গ্রামের গিয়াস চাপরাশী, সবুজ চাপরাশী, হারুন চাপরাশী সহ ১৩ জন তার বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে উল্লেখিত বিবাদীরা সহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়া তার বাড়ী ও বসত বিল্ডিং হামলা চালায় এবং বলে যে, তুই আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়াছে। মামলা চালানোর জন্য ও ব্যবসা ভালো ভাবে পরিচালনা করতে হইলে আমাদেরকে পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে। আমি সহ আমার পরিবারের লোকজন বিবাদীদের দাবীকৃত চাদার টাকা দিতে অস্বীকার করিলে বিবাদীরা আমাদের উপর অতর্কিত হামলা করে। মারধরের একপর্যায়ে লোহার রড দিয়া জখম এবং হত্যার হুমকি দেয় এবং বিবাদীরা ঘরের মধ্যে থাকা আসভাবপত্র ও ঘরের ভিতরে দুইটি এসি ভাংচুর করিয়া অনুমান দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। এ সময় এ্যাসি সহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। এবং একটি মোটরসাইকেল সহ অন্যান্য মালামাল কুপিয়ে ভাংচুর করে। খবর পেয়ে ভান্ডারিয়া থানা পুলিশ আমাদেরকে উদ্ধার করে।
এ ব্যাপাে ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমেদ আনওয়ার জানান, “সন্ত্রাসী হামলার খবর পেয়েছি। তারা চিকিৎসা নিয়ে থানায় এসে মামলা দায়ের করলে একজন আসামীকে গ্রেফতার করে কোর্টে পাঠানো হয়েছে। বাকীদেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
