পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ফলে আগামীকাল রবিবার (২ মার্চ) থেকে মুসলমানরা রোজা রাখা শুরু করবেন। পুরো মাসজুড়ে তারা ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকবেন। রমজানের রোজা পালনের ক্ষেত্রে সেহরি ও ইফতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ইসলামের বিধান অনুযায়ী, রমজান মাসে সুস্থ ও সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জন্য রোজা রাখা ফরজ। রোজা রাখার জন্য ফজরের আগে সেহরি খেয়ে নিয়ত করতে হয় এবং সূর্যাস্তের পর ইফতার করে রোজা ভাঙতে হয়। এই সময় দুটিতে নিয়ত ও দোয়া পাঠ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم
নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম, মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক; ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।
হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল তোমার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পবিত্র রমজানের ফরজ রোজা রাখার নিয়ত করলাম। তুমি আমার এই ইবাদত কবুল করো, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।
بسم الله اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।
হে আল্লাহ! আমি তোমার সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিজিক দ্বারা ইফতার করছি।
এই হাদিসটি মুআজ ইবনে জাহরা (রহ.) থেকে বর্ণিত এবং আবু দাউদের হাদিস গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে (হাদিস : ২৩৫৮)।
