মাত্র ৪ ম্যাচ খেলেই বিশ্বরেকর্ড দক্ষিণ আফ্রিকান এই ব্যাটারের।

লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১ বছর আগে

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণ ব্যাটার ম্যাথিউ ব্রিটজকে ওয়ানডে ক্রিকেটে দুর্দান্ত শুরুটা ধরে রেখেছেন এখনো। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই একের পর এক ফিফটি হাঁকিয়ে বোলারদের নাজেহাল করছেন তিনি। চলতি অস্ট্রেলিয়া সিরিজেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন ব্রিটজকে। শুক্রবার সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছেন ৮৮ রানের ঝলমলে ইনিংস।

সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলেও মাত্র চার ম্যাচ খেলা এই ওপেনার গড়ে ফেলেছেন বিশ্বরেকর্ড।অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী বোলিং আক্রমণ—জশ হ্যাজলউড, জেভিয়ার বার্টলেট, অ্যারন হার্ডি, নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পাকে সামলিয়ে তিনি ৭৮ বলে করেন ৮৮ রান। তার ইনিংসে ছিল আটটি চার ও দুটি ছক্কা। যদিও এলিসের বাউন্সার সামলাতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে অ্যালেক্স ক্যারির হাতে ধরা পড়েন তিনি।

তবু এই ইনিংসের মধ্য দিয়েই ব্রিটজকে গড়ে ফেলেছেন অনন্য কীর্তি। ক্যারিয়ারের প্রথম চার ম্যাচেই করেছেন ফিফটি—ওয়ানডে ক্রিকেটের ৫৪ বছরের ইতিহাসে যা আর কোনো ব্যাটারের নেই। এর আগে ভারতের সাবেক ব্যাটার নবজোত সিং সিধু টানা চার অভিষেক ইনিংসে ফিফটির নজির গড়েছিলেন। তবে সিধুর এক ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ হয়নি। ফলে ব্রিটজকের এই ধারাবাহিকতা তাকে আলাদা উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

তার অভিষেকটাও ছিল রেকর্ডসমৃদ্ধ। প্রথম ওয়ানডেতেই করেন ১৫০ রান—অভিষেক ম্যাচে যা সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে রেকর্ডটি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ডেসমন্ড হেইন্সের, যিনি ১৯৭৮ সালে করেছিলেন ১৪৮ রান।প্রথম ম্যাচের পর ব্রিটজকের ব্যাট থেকে আসে ৮৩ ও ৫৭ রানের ইনিংস। আর চতুর্থ ম্যাচে খেললেন ৮৮ রানের ঝলক। যদি আরও ১২ রান করতে পারতেন, তবে প্রথম চার ইনিংসে দুটি সেঞ্চুরির রেকর্ডে দক্ষিণ আফ্রিকার কলিন ইংগ্রামের পাশে নাম লেখাতে পারতেন। সেটাই তার জন্য খানিকটা আক্ষেপ হয়ে রইল।