‘বাংলাদেশ ভালো লড়াই করবে’, দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে ডি ভিলিয়ার্স।

লেখক: ডেস্ক রিপোর্টার
প্রকাশ: ১৫ ঘন্টা আগে

স্পোর্টস ডেস্ক:

দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে ব্যাটিং মানেই কঠিন পরীক্ষায় নামা। পেস, সুইং আর বাউন্স, সব মিলিয়ে প্রোটিয়াদের মাটিতে ব্যাটারদের জন্য থাকে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সেই কঠিন পরীক্ষাতেও বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স। তার মতে, নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারলে আসন্ন টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারবে।

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের পর নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘৩৬০’ এর পডকাস্টে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেন ডি ভিলিয়ার্স। সেখানেই উঠে আসে বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের প্রসঙ্গ।অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইনে ৯ উইকেটের জয় বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে সাম্প্রতিক উন্নতির বড় উদাহরণ। যদিও মেকাইয়ে পরের টেস্টে ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে স্বাগতিকদের ধবলধোলাই করতে না পারলেও, পুরো সফরের পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাসের জায়গা তৈরি হয়েছে।

নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দুই টেস্টের পাশাপাশি তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। এর মধ্যে টেস্ট সিরিজটিকেই বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন ডি ভিলিয়ার্স।দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়কের ভাষায়, বাংলাদেশ সেখানে ভালো লড়াই করতে পারে। তবে এর জন্য ব্যাটারদের কঠিন কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন সফরগুলোর একটি, বিশেষ করে ব্যাটারদের জন্য। কারণ এখানে বল শুধু বাতাসে সুইং করে না, পিচে পড়ার পরও বাঁক খায়। এমন পরিস্থিতিতে খেলার অভিজ্ঞতা অনেক ব্যাটারেরই নেই। ফলে মানিয়ে নেয়াটাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

’দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১১৪ টেস্ট, ২২৮ ওয়ানডে ও ৭৮টি টি-টোয়েন্টি খেলা ডি ভিলিয়ার্স নিজের খেলার অভিজ্ঞতা থেকে মনে করেন, দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটে শুধু রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করে টিকে থাকা সম্ভব নয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিংয়ের ধরণ বদলাতে হবে।কখনো ক্রিজ ছেড়ে সামনে এসে খেলা, কখনো স্টাম্প পুরোপুরি ঢেকে রাখা, আবার কখনো ইচ্ছাকৃতভাবে স্টাম্প উন্মুক্ত রেখে বল মোকাবিলা, পরিস্থিতি বুঝে এমন বিভিন্ন কৌশল কাজে লাগাতেন তিনি। বাংলাদেশের ব্যাটারদেরও একইভাবে সক্রিয় থাকার পরামর্শ তার।

ডি ভিলিয়ার্সের মতে, সিমিং কন্ডিশনে শুধু স্টাম্প ঢেকে রেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা টিকে থাকার চেষ্টা করলে চলবে না। ব্যাটারকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করতে হবে।অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এরই মধ্যে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতের বিপক্ষে জয় এখনো অধরা। তাই প্রোটিয়াদের মাটিতে এবার সেই অপেক্ষা ঘোচানোর সুযোগ বাংলাদেশের সামনে।দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গে। এরপর ২৩ নভেম্বর সেঞ্চুরিয়নে হবে দ্বিতীয় টেস্ট।