আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)।

লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

বিশেষ প্রতিবেদন:

আজ ১২ রবিউল আউয়াল, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। এ দিনেই বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম ও ইন্তেকাল সংঘটিত হয়। দিনটি মুসলমানরা দরুদ, সালাম, কোরআন তেলাওয়াত, ফাতেহা পাঠ ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনার মধ্য দিয়ে পালন করে থাকেন।খ্রিস্টাব্দ ৫৭০ সালে সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে জন্ম নেন প্রিয়নবী (সা.)।

শৈশবকাল থেকেই তিনি সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। তাই মক্কার মানুষ তাকে “আল-আমিন” নামে ডাকতো।৪০ বছর বয়সে হেরা গুহায় আল্লাহর পক্ষ থেকে তার কাছে প্রথম ওহি অবতীর্ণ হয়। এরপর তিনি আল্লাহর একত্ববাদ, ন্যায়পরায়ণতা, সাম্য ও মানবকল্যাণের বাণী প্রচার করতে থাকেন। প্রায় ২৩ বছর তিনি ইসলামের শিক্ষা বিশ্বে প্রচার করেছেন।যদিও তার জন্মতারিখ নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে, তবে ১২ রবিউল আউয়াল তার ইন্তেকালের তারিখ—এ বিষয়ে কোনো ভিন্নমত নেই।

১১ হিজরি (৬৩২ খ্রিস্টাব্দে) বিদায় হজের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরের মাসে ১২ রবিউল আউয়াল তিনি ইন্তেকাল করেন। আলী (রাঃ) তাকে গোসল ও কাফন দেন এবং আয়েশা (রাঃ)-এর ঘরে, যেখানে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন, সেখানেই দাফন করা হয়।মহানবীর জন্ম ও ইন্তেকাল দিবস মুসলিম উম্মাহর কাছে যেমন আনন্দের, তেমনি গভীর শোকেরও। দিনটি উপলক্ষে সর্বত্র কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ, জিকির ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।হযরত মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পৃথিবীতে আগমন নিঃসন্দেহে মানব ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা।

তার পবিত্র জীবনের প্রতিটি দিক মানবতার জন্য আদর্শ ও পথপ্রদর্শক।১২ রবিউল আউয়ালকে সামনে রেখে মুসলমানদের কর্তব্য হলো নবীজির জীবন ও শিক্ষা গভীরভাবে জানা এবং তার নীতি ও আদর্শ নিজেদের জীবনে অনুসরণ করা।