ঋণখেলাপিরা কোনোভাবেই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না: অর্থ উপদেষ্টা।

লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বুধবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে ইপি পেনশন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত ঋণখেলাপিদের সঠিকভাবে শনাক্ত করা। তবে সমস্যা হচ্ছে আদালতের স্টে অর্ডারের কারণে। উদাহরণস্বরূপ, মহিউদ্দিন খান আলমগীর খেলাপি ঋণ নিয়েই পাঁচ বছর পার করেছিলেন।

আগামী নির্বাচনে কালোটাকার প্রবাহ রোধে সরকার কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, কালোটাকার ক্ষেত্রে দুটি দিক রয়েছে—উৎস ও প্রক্রিয়া। উৎস আগের তুলনায় এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগে ব্যাংকের মালিক, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক, পত্রিকার মালিক, এমনকি ফ্ল্যাটের মালিকও অনেক সময় একই ব্যক্তি হতেন। কিন্তু এখন সে অবস্থা নেই, কিছুটা হলেও চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স তৈরি হয়েছে।তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন মূলত রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর নির্ভরশীল।

যদি রাজনীতিবিদরা উৎসাহ দেন যে টাকা দিয়ে মনোনয়ন কিনতে বা ভোট আদায় করতে হবে, তাহলে অর্থ মন্ত্রণালয়ে থেকে তার কিছুই করার সুযোগ থাকবে না।