গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বোমা হামলা অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই হামলায় ৪৯ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে পাঁচজন শিশু। আহত হয়েছেন আরও অনেক মানুষ।
আজ, বুধবার (৮ জানুয়ারি), আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। হামলায় গাজার আবাসিক এলাকা ও বেসামরিক অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সর্বশেষ নিহতদের নিয়ে ইসরায়েলের চলমান হামলায় গাজায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৯০০ জনে। আহত হয়েছেন এক লাখ ৯ হাজার ১৯৬ জন।
উদ্ধারকাজে বাধা থাকায় অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে অনেকের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।
গাজার ইউরোপীয় হাসপাতাল জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের জ্বালানি মজুদ শেষ হয়ে যাবে। একইভাবে আল-আকসা হাসপাতাল জানিয়েছে যে জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর, হামাস দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রবেশ করে নজিরবিহীন হামলা চালায়। এতে ১২০০ জন ইসরায়েলি নিহত হন এবং প্রায় ২৫০ জনকে বন্দী করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকেই ইসরায়েল গাজার ওপর বোমা বর্ষণ ও স্থল হামলা শুরু করে।
২০২৩ সালের নভেম্বরে কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় সাতদিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়, যার আওতায় হামাস শতাধিক বন্দীকে মুক্তি দেয়। তবে বর্তমানে তাদের হাতে এখনও ৯৬ জন বন্দী রয়েছে বলে জানা গেছে। ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, তাদের মধ্যে ৬২ জন এখনও জীবিত।
