ইসরায়েলের ৩টি লক্ষ্যবস্তুতে হুথি বিদ্রোহীদের হামলা।

লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১ বছর আগে

নিজস্ব প্রতিনিধি:

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ। তবে এই হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগের দিন, বুধবার হুথি বিদ্রোহীরা এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়। তারা জানায়, হামলার লক্ষ্য ছিল তেলআবিবের বেন গুরিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নেগেভ অঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটি এবং ইলাত বন্দরের সামুদ্রিক অবকাঠামো।

হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক শাখার মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি জানান, প্রথম দফার হামলায় জুলফিকার নামক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বিমানবন্দর লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়।

তিনি বলেন, “আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে। এর ফলে হাজার হাজার ইসরায়েলি নাগরিক নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।” তিনি আরও জানান, দ্বিতীয় দফার অভিযানে চারটি সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহার করে বিমানবন্দর, সামরিক ঘাঁটি ও সমুদ্রবন্দরে আক্রমণ চালানো হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “গাজায় আমাদের ভাইদের ওপর চালানো গণহত্যার জবাবে ইয়েমেন তার সামরিক অভিযান জোরদার করতে একটুও পিছপা হবে না।”

ব্রিগেডিয়ার সারি আরও বলেন, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল যে গণহত্যা চালিয়ে আসছে, তার বিরুদ্ধে এই প্রতিরোধ চলছে। তিনি দখলকৃত ফিলিস্তিনি উপকূলীয় এলাকায় কার্যরত সব শিপিং কোম্পানিকে সতর্ক করে দেন, যেন তারা হুথিদের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সতর্ক থাকে।

এদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, তারা ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। এ ঘটনার পর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলার সতর্কতা সাইরেন বাজতে শুরু করে। তবে সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে ড্রোন হামলার কথা উল্লেখ করা হয়নি।

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রভাবে ইসরায়েলের নেগেভ অঞ্চলসহ বিভিন্ন শহর ও বসতিতে সাইরেন বাজে, জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।