শব্দাচার্য
বায়তুল্লাহ্ কাদেরী
শব্দাচার্য, নিঝুম পুকুর হও।
জল বার করো ডুমুরের রসের মতন।
আগে বলো, যারা আসে আর যারা বলে চলে যাবে, তারা কি আসলে ঠিক বলে?
কীভাবে ভাবের মায়াজগতের মধ্যে ঠোঁট, জিভ আর আবেগের জড়তায়
শূন্যতা বিশুষ্ক পাতা আর জলে পথিকৃৎ জ্যোৎস্না আনে?
শব্দাচার্য তুমি বলো, সাধনসঙ্গিনীরূপে
তুমি কাকে বেছে নাও?
পাতা, না প্রকৃতি?
ভালো ছিলাম বললে তুমি কাঁপো, জ্বরতাপে কাঁপো, নাকি ঈর্ষা?
আছি মানে নেই, ছিলাম, এখন নেই, অথবা রয়েছি।
শব্দাচার্য, বের হয়ে আসো- ধনুনদীর ওলানে
যেরকম মেঘ এসে জমা হতে থাকে।
তবু জানতে ইচ্ছে হয়
সাধনসঙ্গিনীরূপে শব্দাচার্য, তুমি কাকে বেছে নাও?
পাতা, না প্রকৃতি?
কবি বায়তুল্লাহ্ কাদেরীর “শব্দাচার্য” কবিতাকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে যে কয়েকটি পাঠ-প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো একসঙ্গে পড়লে বোঝা যায়— একটি কবিতা কীভাবে বহুমাত্রিক পাঠের জন্ম দেয়। একই কবিতাকে কেন্দ্র করে কেউ দুর্বোধ্যতার অভিযোগ তুলেছেন, কেউ ভাষা-দর্শনের গভীরতা দেখেছেন, কেউ আবার সমকালীন শব্দ-সংস্কৃতির সমালোচনাও খুঁজে পেয়েছেন। এই বহুমাত্রিক প্রতিক্রিয়াই আসলে একটি কবিতার প্রাণশক্তির প্রমাণ।
আড়িয়াল ভাসুর পর্যবেক্ষণে কবিতার চিত্রকল্প ও প্রশ্নমালা অনেকাংশে দুর্বোধ্য বলে মনে হয়েছে। তাঁর মতে, কবিতার ভাব ও বাস্তবতার মধ্যে একটি ফাঁক তৈরি হয়েছে, যা পাঠককে সহজ উপলব্ধি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। বিশেষ করে “আছি মানে নেই, ছিলাম, এখন নেই, অথবা রয়েছি”—এই ধরনের অস্তিত্বগত উচ্চারণকে তিনি বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে করেননি। তাঁর বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—কবিতার দার্শনিক প্রশ্নের পেছনে যে অনন্তের অনুসন্ধান থাকা উচিত, তা এখানে স্পষ্টভাবে উপস্থিত নয়।
অন্যদিকে তনুমা কায়াশ্রী হিল্লোল কবিতাটিকে দেখেছেন শব্দকারের নৈতিক দায় ও আত্মানুসন্ধানের প্রেক্ষাপটে। তাঁর বিশ্লেষণে “শব্দাচার্য” কেবল একজন কবি নন; তিনি এমন এক সত্তা, যিনি শব্দের শক্তি ও সীমাবদ্ধতা—দুটোকেই উপলব্ধি করেন। “পাতা, না প্রকৃতি?”—এই প্রশ্নকে তিনি ক্ষণস্থায়ী জনপ্রিয়তা ও চিরন্তন সত্যের দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখেছেন। এই ব্যাখ্যা কবিতার আধ্যাত্মিক ও নন্দনশাস্ত্রীয় দিককে সামনে নিয়ে আসে।
আয়তিলতার পাঠে কবিতাটি আরও বেশি দার্শনিক ও প্রতীকী হয়ে ওঠে। তাঁর মতে, ‘শব্দাচার্য’ একাধারে কবি, সাধক ও ভাষাতাত্ত্বিক অনুসন্ধানী। “নিঝুম পুকুর হও” কিংবা “ধনুনদীর ওলানে জমা মেঘ”—এই চিত্রকল্পগুলোকে তিনি অন্তর্মুখী সাধনার ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। বিশেষ করে “পাতা, না প্রকৃতি?” প্রশ্নটিকে তিনি খণ্ড ও সমগ্রের দার্শনিক দ্বৈততার প্রতীক হিসেবে দেখেন। এখানে কবি কোনো নির্দিষ্ট উত্তর দেন না; বরং প্রশ্নকেই কাব্যের কেন্দ্রে স্থাপন করেন।
জান্নাতুল ফেরদৌসী সনির পাঠে কবিতাটি সমকালীন বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ওঠে। তাঁর মতে, কবি আধুনিক সময়ের নানা “শব্দাচার্য”—অর্থাৎ শব্দের কারিগরদের প্রতি এক ধরনের শ্লেষাত্মক করুণাবোধ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে প্রকৃত শব্দসাধকের প্রতি সমব্যথী প্রশ্নও ছুড়ে দিয়েছেন। এখানে শব্দের শূন্যতা, শুষ্ক পাতা ও জ্যোৎস্নার চিত্রকল্প এক ধরনের নতুন উপলব্ধির জন্ম দেয়—যেখানে ক্ষণিকের শব্দশেষে চেতনার নতুন আলো ফুটে ওঠে।
শাহ পরান শ্রীমন্তের পাঠ আবার ভিন্ন এক দৃষ্টিকোণ উন্মোচন করে। তাঁর মতে, কবিতায় সময়কে ধরার একটি প্রচেষ্টা আছে, কিন্তু সেই প্রচেষ্টার ভেতরেই আড়ষ্টতা ও দ্বিধা কাজ করছে। এই দ্বিধাকেই তিনি সমকালীন লেখালেখির একটি বৈশিষ্ট্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন—যেখানে বিমূর্ততা ও প্রতীকের ভেতর দিয়ে সত্যকে ধরার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তা সবসময় মূর্ত হয়ে ওঠে না।
সবশেষে আখতার জামানের প্রতিক্রিয়া পাঠকের আরেকটি স্বাভাবিক অনুভূতির প্রতিনিধিত্ব করে। তাঁর কাছে কবিতাটি গভীর আবেগের দাগ রেখে গেছে। তিনি লক্ষ্য করেছেন—কবিতাটি গদ্যরীতিতে লেখা হলেও তার মধ্যে পদ্যভাব ও সাচ্ছন্দ্য আছে। বহু প্রশ্নের ভেতর দিয়েই কবিতাটি এগিয়ে যায়, আর সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে নেওয়ার দায় যেন শব্দাচার্য—অর্থাৎ কবির নিজের উপরেই ন্যস্ত।
এই ভিন্ন ভিন্ন পাঠ একত্রে দেখলে স্পষ্ট হয়—“শব্দাচার্য” একটি প্রশ্ননির্ভর ও প্রতীকময় কবিতা, যা পাঠককে সরল অর্থ দেয় না; বরং ভাবনার পথে ঠেলে দেয়। কারও কাছে এই জটিলতা দুর্বোধ্যতা হয়ে উঠতে পারে, আবার কারও কাছে তা কাব্যের শক্তি।
সমকালীন বাংলা কবিতার একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো—এখানে উত্তর অপেক্ষা প্রশ্নের গুরুত্ব বেশি। বায়তুল্লাহ্ কাদেরীর “শব্দাচার্য” সেই ধারারই একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। কবিতাটি হয়তো সব পাঠকের কাছে সহজে উন্মুক্ত হয় না, কিন্তু এর চারপাশে যে বহুবর্ণ পাঠ-প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে—সেই সংলাপই প্রমাণ করে, কবিতাটি আমাদের সময়ের ভাবনার ভেতর একটি সক্রিয় আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।
— এমরানুর রেজা
১১/০৩/২০২৬
বায়তুল্লাহ্ কাদেরীর শব্দাচার্য কবিতা এবং কবিতায় কিছু প্রশ্নের চিত্রকল্প অনেকটাই দুর্বোধ্য।যা অনুধাবন করতে পাঠককে আরও শিক্ষিত হতে হবে।শব্দাচার্য কবিতায় স্পষ্টত লক্ষণীয় যে ভাব আর বাস্তবতা দুটি ভিন্ন বিষয়। প্রকৃতি তার পাতার রূপে পথিকের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করে, কিন্তু এখানে ভাবকে উত্তেজিত করার চেষ্টা বাস্তবসম্মত নয়। যেমন মেঘ এসে জমা হলে তা প্রকৃতির অন্য রূপের কারণে আবার আলোতে ফিরে আসে। তাই “আছি” মানে আছি, এবং “রয়েছি”—এটাই আসল রূপ। যারা আছে তারা চলে যায় না; চলে যেতে হলে তো আয়োজনের প্রয়োজন, আর সেখানে তো অনন্তের প্রশ্ন জড়িয়ে থাকে। সে প্রশ্নগুলো শব্দাচার্য কবিতায় অনুপস্থিত বলেই বোধ হয়।
—আড়িয়াল ভাসু
২৭/২/২৬
কবি বায়তুল্লাহ কাদেরীর ‘শব্দাচার্য’ কবিতাটি শব্দকারের নৈতিক দায় ও আত্মানুসন্ধানের এক গভীর কাব্যিক ভাষ্য।
শব্দাচার্য= শব্দ + আচার্য। এই শব্দচয়নের মাধ্যমে কবি লেখকসত্তার দায়িত্বকে আরও স্পষ্ট ও বহুমাত্রিক করে তুলেছেন। কবিতার প্রতিটি প্রশ্ন যেন শব্দের শক্তি ও সীমাবদ্ধতা— দুটোকেই একসঙ্গে উন্মোচন করে। “কীভাবে ভাবের মায়াজগতের মধ্যে ঠোঁট, জিভ আর আবেগের জড়তায় শূন্যতা বিশুষ্ক পাতা আর জলে পথিকৃৎ জ্যোৎস্না আনে?” এই পঙ্ক্তিতে কর্ম ও আবেগের দ্বন্দ্বে কবির সংশয় প্রকট হয়ে ওঠে। এখানে শব্দকে ব্রহ্মাস্ত্র হিসেবে ব্যবহারকারীদের নৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
“পাতা, না প্রকৃতি”— এই দ্বন্দ্বের মাধ্যমে ক্ষণস্থায়ী জনপ্রিয়তা ও চিরন্তন সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করান কবি। এই পঙ্ক্তিতে কবির আধ্যাত্মিক দর্শন ও শিল্পবোধ এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।
“আছি মানে নেই, ছিলাম, এখন নেই, অথবা রয়েছি।” – এই অংশে অতীত, বর্তমান ও অস্তিত্বগত সংশয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
ধনুনদীর ওলানের চিত্রকল্প কবিতাটিকে আরও গভীর ভাবনার দিকে আহ্বান জানায়। এই আহ্বান যেন মনে করিয়ে দেয় ২২ এ শ্রাবণ সিনেমায় অনুপম রায়ের সেই গানটি—
“গভীরে যাও আরো গভীরে যাও
এই বুঝি তল পেলে, ফের হারালে
প্রয়োজনে ডুবে যাও।”
তবে প্রতীকের ঘন ব্যবহার কোথাও কোথাও পাঠককে অতিরিক্ত মনোযোগী হতে বাধ্য করে এবং অস্পষ্টতা তৈরী করে। তবু ‘শব্দাচার্য’ সমকালীন কবিতায় এক গভীর, প্রশ্নমুখর ও দায়বদ্ধ সংযোজন।
বায়তুল্লাহ্ কাদেরীর “শব্দাচার্য” কবিতাটি
ভাষা-দর্শন ও অস্তিত্বচেতনার এক প্রতীকী নির্মাণ। কবিতার কেন্দ্রীয় সত্তা ‘শব্দাচার্য’ অর্থাৎ শব্দের গুরু বা শব্দের পণ্ডিত। যিনি একই সঙ্গে কবি, সাধক ও ভাষাতাত্ত্বিক আত্মান্বেষণের প্রতিরূপ।
কবিতার ভাষা প্রতীকময়।”আছি মানে নেই, ছিলাম, এখন নেই” অস্তিত্বের অনিশ্চয়তা; “নিঝুম পুকুর হও” নীরব ধ্যান,আত্মসংযম ও আত্মসঞ্চয়ের ইঙ্গিতবাহী; “ধনুনদীর ওলানে জমা মেঘ” সম্ভাব্য সৃষ্টির বিস্ফোরণের পূর্বলক্ষণ। এই চিত্রকল্পগুলো এক ধরনের অন্তর্মুখী সাধনাপ্রক্রিয়াকে রূপায়িত করে।
তবে কবিতায় আত্মসমালোচনার সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ প্রশ্ন—“পাতা, না প্রকৃতি?”– খণ্ড ও সমগ্র। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও মহাসত্তার দ্বৈততার দার্শনিক সংকেত। কবি কোনো নির্দিষ্ট উত্তর দেন না; বরং পুনরুক্ত প্রশ্নের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাকেই কাব্যের কাঠামোগত ও ভাবগত কেন্দ্র করে তোলেন। চিত্রকল্পের নীরবতা এবং উত্তরহীনতার মধ্যেই কবিতার শক্তি—কারণ এখানেই কবি নিজের সীমা স্বীকার করেন
— আয়তিলতা
০৩/০৩/২০২৬
কবি বায়তুল্লাহ্ কাদেরী রচিত শব্দাচার্য কবিতাটি সমকালীন বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে রচিত। এখানে আধুনিক নানাবিধ শব্দাচার্যদের প্রতি কবিকে শ্লেষাত্মক করুণাবোধে আচ্ছাদিত আবেগ প্রকাশ করতে দেখা যায়। আবার প্রকৃত শব্দাচার্যের প্রতি সমব্যথী প্রশ্ন ছুড়তে দেখা যায়। শব্দাচার্যের দর্শনে আসা-যাওয়ার প্রতিশ্রুতিগুলো প্রায়ই মায়া ও বাস্তবতার দ্বন্দ্বে লিপ্ত। যারা চলে যাওয়ার কথা বলে, তারা আসলে এক গভীর অস্তিত্ববাদী সংকটে ভোগে—যেখানে ঠোঁট, জিভ আর আবেগের জড়তা শেষ পর্যন্ত শব্দের শূন্যতাকে একটি ‘পথিকৃৎ জ্যোৎস্না’ বা নতুন কোনো উপলব্ধিতে রূপান্তর করে। অনুভূতির জড়তা যখন চরমে পৌঁছায়, তখন শব্দ শুষ্ক পাতার মতো ঝরে পড়ে ঠিকই, কিন্তু সেই শূন্যতাই আবার চেতনার আকাশে নতুন আলো বা জ্যোৎস্না নিয়ে আসে। শব্দাচার্যের কাছে পাতা হলো মুহূর্তের রূপক, আর প্রকৃতি হলো শাশ্বত সত্তা। তিনি মূলত প্রকৃতিকেই বেছে নেন, কারণ পাতায় যে শব্দের স্পন্দন জাগে, তার উৎস ওই আদিম প্রকৃতিই। যদিও বেছে নেয়াটাকে কবি এখানে প্রচ্ছন্নই রেখেছেন ভাবের আড়াল করার প্রশ্নে।
-জান্নাতুল ফেরদৌসী সনি
০৬/০৩/২০২৬
শব্দের যুতসই বুননে কবি সময়কে ধরতে চেয়েছেন। কিন্তু কবিতার প্রবহমানতার মাঝেই প্রচ্ছন্ন দ্বিধা পাঠকের চোখ এড়ায় না। যা বলতে চান ঠিক বলা হচ্ছে না যেন! একটা আড়ষ্টতার ঘন ছায়া আছে পুরো কবিতা জুড়ে। কবি যে সময়কে ধরতে চান, সে সময়কে কি তিনি ভয় করছেন? তবে ভয়ে ভয়ে আড়ষ্টতার ভেতর দিয়েই কবি তুমুল এক প্রশ্ন তুলেছেন, “যারা আসে আর যারা বলে চলে যাবে, তারা কি ঠিক বলে?” এই প্রশ্নের উত্তর কি কবির চোখে দৃশ্যমান? এই দৃশ্য কি অতীতে, বর্তমানে, নাকি ভবিষ্যতে? শব্দচার্য তথা শব্দের পণ্ডিত, তথা কবির আপন সত্ত্বাই বা কাব্যসত্ত্বাই যদি প্রশ্নের উদ্দেশ্য হন, তবে আমরা কবিতায় অন্য সকল প্রশ্নের নিরিখে বলতে পারি, সময়কে ধরতে যেয়ে আড়ষ্টতার ছায়াই প্রকৃত সময়ের প্রতিনিধিত্ব করছে এই কবিতায়। এখানে এই সময়কার অধিকাংশ লেখার একটা ধাঁচ লক্ষণীয়। কবিতায় বিমূর্ত শব্দ এবং দৃশ্যপটে একটা সত্যকে ধরার প্রচেষ্টা। বায়তুল্লাহ্ কাদেরী রচিত শব্দাচার্য কবিতাটি সাধারণ পাঠকের চোখে প্রাঞ্জল অর্থবহতা খুঁজে পাওয়া কঠিন হলেও কাব্যরস এবং শিল্পচেতনা স্পষ্ট। এদিক দিয়ে এই কবিতা স্বার্থক। তবে বিমূর্ত থেকে মূর্ত হয়ে উঠাই আমাদের সময়ের প্রয়োজন।
-শাহ পরান শ্রীমন্ত
০৯/০৩/২০২৬
বায়তুল্লাহ্ কাদেরীর ‘শব্দচার্য’ কবিতাটি আমার হৃদয়ে একটা দাগ কেটে দিলো। শব্দের ঝনঝনানি নেই, ভাবের গভীরতা আছে। কবিতাটি গদ্যস্টাইলে লিখা হলেও পদ্যভাব পরিলক্ষিত। ছন্দ না থাকলেও এর রয়েছে সাচ্ছন্দ্য যদিও কবিতাটি প্রশ্নবানে জর্জরিত। প্রশ্নের উত্তর শব্দাচার্যকেই বের করতে হবে যে সে কাকে চায়– পাতা, না প্রকৃতি? আমি বায়তুল্লাহ্ কাদেরীকে চাই। তার আরো আরো লেখা চাই।
-আখতার জামান
১১.০৩.২৬
