নিজস্ব প্রতিনিধি:
বুধবার (৭ মে) ভারতীয় সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে বিবিসি তাদের সরাসরি সম্প্রচারে এই তথ্য জানায়।এর আগে বিবিসি জানিয়েছিল, পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় ভারতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছেন। দিল্লি কর্তৃক বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাকিস্তান যখন ব্যাপক গোলাবর্ষণ শুরু করে, তখন এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও জানায়, পাকিস্তান ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুঞ্চ ও তাংধর এলাকার বেসামরিক বসতিতে গোলাবর্ষণ করেছে।গত ২২ এপ্রিল ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে পারমাণবিক ক্ষমতাধর এই দুটি দেশের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়তে থাকে। প্রতিদিনই উভয় পক্ষের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলি চলছে।
এই চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই মঙ্গলবার (৬ মে) রাতে ভারত পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এই হামলার পর হতাহতের সংখ্যা নিয়ে প্রতিবেশী দেশ দুটি ভিন্ন ভিন্ন দাবি করেছে। ভারত দাবি করেছে যে তারা ৭০ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। তবে পাকিস্তানের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় অন্তত ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।অন্যদিকে, ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দেশটির সেনাবাহিনীকে ‘আত্মরক্ষার অংশ’ হিসেবে ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। বুধবার (৭ মে) ভোরে ভারতের চালানো কয়েকটি মারাত্মক হামলার কয়েক ঘণ্টা পর এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির (এনএসসি) এক জরুরি বৈঠকের পর শাহবাজ শরিফ পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীকে ‘নিরপরাধ পাকিস্তানি নাগরিকদের মৃত্যুর প্রতিশোধ’ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
সূত্র: বিবিসি
