জবি প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে প্রথমবারের মতো ডিবেটিং ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উক্ত বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. কামরুল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাসমিয়া তাহমিদ আপন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ মোঃ নিসতার জাহান কবীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ১২ সদস্যের এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
বিভাগীয় প্রধানকে ক্লাবটির উপদেষ্টা এবং প্রভাষক সামির আহমেদকে মডারেটর করে এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যা আগামী এক বছর, অর্থাৎ ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ঘোষিত এই কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন ২০তম আবর্তনের ফারদ্বীন খান, দপ্তর সম্পাদক ১৯তম আবর্তনের মাহমুদুল হাসান, অর্থ সম্পাদক ইফফাত রওনাক প্রমি এবং প্রচার সম্পাদক ২০তম আবর্তনের আলভী আবিব।
এ ছাড়া কর্মশালা ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সম্পাদক হয়েছেন ২১তম আবর্তনের ওমর ফাহমিদ খান এবং আলোকচিত্র সম্পাদক হয়েছেন ২০তম আবর্তনের তৈয়ব ইসলাম শুভ।
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন ২১তম আবর্তনের মো. রেহান আবরার মল্লিক, ফাইরোজ ইতু, স্নেহা দত্ত ও কাজী ইবতিসাম ইনান।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক তাসমিয়া তাহমিদ আপন বলেন, “আমি অনেক আনন্দিত, প্রথমবারের মতো হওয়া কমিটিতে যুক্ত হতে পেরে। আমাদের বিভাগ নিয়ে অনেকের মনে কিছু ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত, যা আসলে সত্য নয়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোন সৃষ্টিশীল কাজে আমাদের বিভাগ ভাল করছে। বিতর্ক একটি বুদ্ধিবৃত্তিক শৈলী, এর মাধ্যকে ব্যক্তিত্বের বিকাশ সাধিত হয়। আমি বিশ্বাস করি, এ বিতর্ক ক্লাবের মধ্যে দিয়ে আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীদের সৃষ্টিশীল মননের আরও উৎকর্ষ সাধিত হবে।”
সভাপতি মো. কামরুল হাসান বলেন, “প্রথমবারের মতো ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ ডিবেটিং ক্লাবের প্রারম্ভ হলো ভেবেই পুলকিত আমরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের আমাদের বিভাগ ইতোমধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সৃজনশীল নানা অনুষঙ্গে প্রশংসিত। বিতর্কে আমাদের অংশগ্রহণ ঈর্ষণীয় সাফল্য বয়ে আনছে বিভাগের জন্য। আমি আশাবাদী এবং দৃঢ়প্রত্যয়ী, চলচ্চিত্র শিক্ষার পাশাপাশি এই কার্যক্রম আমাদের শৈল্পিক দৃষ্টিকোণকে আরও বিস্তৃত করবে এবং বৃহত্তর অর্থে চলচ্চিত্র নির্মাণশৈলীতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কার্যনির্বাহী কমিটির সকলকে অভিনন্দন জানাই।”
বিভাগ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এ ক্লাবের কার্যক্রমের মাধ্যমে ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থীদের যুক্তি, বিশ্লেষণ, উপস্থাপন ও সৃজনশীল চিন্তার চর্চা আরও বিস্তৃত হবে। পাশাপাশি চলচ্চিত্র শিক্ষার সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্কের সমন্বয় শিক্ষার্থীদের নির্মাণ ও শিল্পচর্চার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
