নিজস্ব প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত মদ (স্পিরিট) পান করে ছয়জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আরও তিনজনকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল ও বাড়িতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।শনিবার রাতে সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের ডিঙ্গেদহ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা সবাই নিম্নআয়ের পেশাজীবী।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—নফরকান্দি গ্রামের খেদের আলী, খেজুরা গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী সেলিম, পিরোজখালির ভ্যানচালক লাল্টু, শংকরচন্দ্র গ্রামের শ্রমিক শহীদ, ডিঙ্গেদহ গ্রামের মিলশ্রমিক সামির এবং এশিয়া বিস্কুট ফ্যাক্টরিপাড়ার শ্রমিক লাল্টু।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন মিলে মদ পান করেন। এরপর শনিবার থেকে একে একে পাঁচজন মারা যান। রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরও একজন।
সন্ধ্যার পর ঘটনাটি জানাজানি হলে রাতে অসুস্থদের খোঁজে এলাকায় তল্লাশি চালায় পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, ডিঙ্গেদহ বাজারে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দেশি মদ বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামাল আল নাসের বলেন, “রোববার সন্ধ্যায় বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাই।
পরে খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হই, ছয়জন মারা গেছেন এবং চারজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, “এই অ্যালকোহল কোথা থেকে এসেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে দাফন করা লাশ উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
