ডেস্ক রিপোর্টঃ
সদরপুর ইউনিয়নের সবচেয়ে যোগ্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হলেন আতাউল হক এমদাদ। তিনি মিরপুর উপজেলা যুবদলের সফল সদস্য সচিব এবং বর্তমানে সদরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে এলাকাবাসীর মতে সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী তিনি।
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। সময়ের পরিক্রমায় তিনি ছাত্রদল, যুবদল এবং মূলদল অর্থাৎ বিএনপির বিভিন্ন পদে থেকে জনগণের সেবা করে গেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপির সবচেয়ে খারাপ দিনগুলোতে তিনি সামনে থেকে অত্র এলাকায় দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে গেছেন। যার ফলশ্রুতিতে এই এলাকার বিএনপির সমস্ত নেতাকর্মী মিলে তাকে সদরপুর ইউনিয়নে বিএনপির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন। ইউনিয়ন সভাপতি হিসেবে তিনি দলের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করার জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
২০২৪ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে যেখানে এই এলাকার অনেক বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠেছিল সেখানে আতাউল হক এমদাদের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র এরকম অভিযোগ কখনও আসেনি। কাতলামারি গ্রামের এই কীর্তিমান সন্তান সুদীর্ঘকাল ধরে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, অবহেলিত মানুষের কল্যাণ এবং যুবসমাজের চরিত্র গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।
আতাউল হক এমদাদ শুধু একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই নন, তিনি স্থানীয় যুবসমাজ ও তরুণদের কাছে এক অত্যন্ত জনপ্রিয় রোল মডেল। খেলাধুলার প্রসার, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং তরুণদের ইতিবাচক কাজে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি সর্বদা পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। খেলাধুলার মাঠে ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় উপস্থিতি তাকে সর্বস্তরের মানুষের বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিতে পরিণত করেছে।
সদরপুর ইউনিয়নের প্রতিটি কোণায় তার উন্নয়নমূলক কাজের চিহ্ন সুস্পষ্ট। রাস্তাঘাট সংস্কার, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহায়তা এবং দুর্যোগকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে তিনি নিরলসভাবে নিয়োজিত। এলাকার সাধারণ মানুষ তাকে একজন সৎ, নীতিবান এবং সদালাপী অভিভাবক হিসেবে সম্মান জানান।
আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আতাউল হক এমদাদ সদরপুর ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা ও হাটে-বাজারে সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। কাতলামারি গ্রাম থেকে শুরু করে ইউনিয়নের সর্বস্তরের ভোটারদের কাছে তিনি গিয়ে শুনছেন তাদের অভাব-অভিযোগের কথা এবং ব্যক্ত করছেন এক নতুন, আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত সদরপুর গড়ার অঙ্গীকার। তার এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং সমর্থনে ব্যাপক সাড়া ও গণজোয়ারের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সাধারণ মানুষের দৃঢ় বিশ্বাস, আতাউল হক এমদাদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সদরপুর ইউনিয়ন একটি রোল মডেল ইউনিয়নে পরিণত হবে এবং অবহেলিত জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত অধিকার খুঁজে পাবে বলে এলাকার জনগণ মনে করেন। এলাকাবাসীর মতে এই যোগ্য নেতাকে দল অবশ্যই সদরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী করে সঠিক মূল্যায়ন করবেন।
