Collected
নিজস্ব প্রতিনিধি:
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার এক ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে জাপানের অব্যাহত সমর্থনের বিষয়টি পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, মহেশখালী-মাতারবাড়ি ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (MIDI) প্রকল্পে সহায়তা করে এই অঞ্চলকে ‘নিউ সিঙ্গাপুর’ হিসেবে গড়ে তুলতে জাপান বাংলাদেশের পাশে থাকবে।শুক্রবার (৩০ মে) বৈঠক শেষে শফিকুল আলম সাংবাদিকদের জানান, জাপান বাংলাদেশকে বিভিন্ন খাতে মোট ১.০৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ঋণ সহায়তা দেবে। এর মধ্যে রয়েছে: * বাজেট সহায়তা: ৪১৮ মিলিয়ন ডলার। * রেলওয়ে উন্নয়ন: ঈশ্বরদী-জয়দেবপুর রেললাইন ডুয়ালগেজকরণ প্রকল্পে ৬৪১ মিলিয়ন ডলার ঋণ। * শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ৪.২ মিলিয়ন ডলার ঋণ।প্রেস সচিব আরও উল্লেখ করেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে জাপানের এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।মহেশখালী-মাতারবাড়ি প্রকল্প: একটি বিস্তারিত চিত্রশফিকুল আলম জানান, জাপান ২০১৪ সাল থেকেই মহেশখালী-মাতারবাড়ি ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (MIDI) প্রকল্পে কাজ করছে। অন্তর্বর্তী সরকার এই অঞ্চলকে ঘিরে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে আগ্রহী। সরকারের লক্ষ্য হলো, এই অঞ্চলকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা।এই প্রকল্পের আওতায় মহেশখালী-মাতারবাড়ি একটি লজিস্টিকস, বন্দর, জ্বালানি এবং মৎস্য কেন্দ্রে রূপান্তরিত হবে। সরকার চায় কক্সবাজার-মহেশখালী একটি স্মার্ট সিটিতে পরিণত হোক এবং প্রধান উপদেষ্টার ভাষ্যমতে, এই অঞ্চল যেন ‘নিউ সিঙ্গাপুর’ হিসেবে বিশ্ব মঞ্চে পরিচিতি লাভ করে। এই মহৎ উদ্যোগেও জাপান বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে।এছাড়াও, বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে ৫টি পেট্রোল বোট দিচ্ছে জাপান।এই সহায়তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন এবং মহেশখালী-মাতারবাড়িকে একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ কেন্দ্রে পরিণত করার ক্ষেত্রে কতটা সহায়ক হবে বলে আপনি মনে করেন?
