রাজনৈতিক নেতারা যেন ঘাট দখল করতে না পারে”— সতর্কবার্তা নৌ উপদেষ্টার।

লেখক: রিয়াজুল ইসলাম
প্রকাশ: ৯ মাস আগে

হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:

দেশের রাজনৈতিক নেতারা যাতে ঘাট দখল করে সেটিকে নিজেদের সম্পত্তি মনে না করে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.)।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়ার নলচিরা ঘাট পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “এর আগে আমাদেরকে এখানে আসতে দেওয়া হয়নি, কাজ করতেও পারিনি। স্থানীয় কিছু নেতা ঘাট দখল করে রেখেছিল। কেন একটি নদী বন্দর ঘোষণা করতে এত বছর লেগে গেল? বন্দর হলে আমরা উন্নয়ন কাজ শুরু করতে পারতাম, কিন্তু এখন অন্তবর্তী সরকারকে আবার শুরু থেকে কাজ শুরু করতে হচ্ছে।”

ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত আরও বলেন, “আপনারা নেতা বেছে নেবেন, কিন্তু সে এসে যেন ঘাট দখল না করে। এগুলো মানুষের সম্পদ, সরকারের সম্পদ। দেশের রাজনৈতিক নেতারা যেভাবে ঘাট দখল করে নিজেদের সম্পত্তি মনে করে, তা আর হতে দেওয়া যাবে না। বিগত ষোলো-সতেরো বছরের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে—এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”

এ সময় তিনি আরও জানান, হাতিয়ার নলচিরা চেয়ারম্যান ঘাট রুটে দ্রুত ফেরি চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “আমি থাকতেই যেন এ ফেরি উদ্বোধন করতে পারি।”

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সলিমুল্লাহ, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, হাতিয়া দ্বীপ সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. জাহেদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন যতনসহ স্থানীয় শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

রাজনৈতিক নেতারা যেন ঘাট দখল করতে না পারে”— সতর্কবার্তা নৌ উপদেষ্টাররিয়জল ইসলাম, হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:দেশের রাজনৈতিক নেতারা যাতে ঘাট দখল করে সেটিকে নিজেদের সম্পত্তি মনে না করে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.)।মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়ার নলচিরা ঘাট পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, “এর আগে আমাদেরকে এখানে আসতে দেওয়া হয়নি, কাজ করতেও পারিনি। স্থানীয় কিছু নেতা ঘাট দখল করে রেখেছিল। কেন একটি নদী বন্দর ঘোষণা করতে এত বছর লেগে গেল?

বন্দর হলে আমরা উন্নয়ন কাজ শুরু করতে পারতাম, কিন্তু এখন অন্তবর্তী সরকারকে আবার শুরু থেকে কাজ শুরু করতে হচ্ছে।”ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত আরও বলেন, “আপনারা নেতা বেছে নেবেন, কিন্তু সে এসে যেন ঘাট দখল না করে। এগুলো মানুষের সম্পদ, সরকারের সম্পদ। দেশের রাজনৈতিক নেতারা যেভাবে ঘাট দখল করে নিজেদের সম্পত্তি মনে করে, তা আর হতে দেওয়া যাবে না। বিগত ষোলো-সতেরো বছরের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে—এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”এ সময় তিনি আরও জানান, হাতিয়ার নলচিরা চেয়ারম্যান ঘাট রুটে দ্রুত ফেরি চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “আমি থাকতেই যেন এ ফেরি উদ্বোধন করতে পারি।”সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সলিমুল্লাহ, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, হাতিয়া দ্বীপ সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. জাহেদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন যতনসহ স্থানীয় শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।