সরকার পণ্য ও সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট এবং সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির কারণে সিগারেটের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাতে পণ্য ও সেবার ওপর ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর বিষয়ে দুটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এই সিদ্ধান্তের পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভ্যাট বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, সিগারেটের চারটি স্তরের ক্ষেত্রে দাম এবং শুল্ক উভয়ই বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিম্ন স্তরে ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০ টাকা করা হয়েছে, যেখানে সম্পূরক শুল্ক ৬০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৭ শতাংশ হয়েছে।
মধ্য স্তরে ১০ শলাকার দাম ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৬৫.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৭ শতাংশ করা হয়েছে। উচ্চ স্তরে দাম ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা এবং শুল্ক একইভাবে ৬৫.৫ শতাংশ থেকে ৬৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
অতি উচ্চ স্তরের সিগারেটের ক্ষেত্রে দাম ১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮৫ টাকা হয়েছে এবং সম্পূরক শুল্কও ৬৫.৫ শতাংশ থেকে ৬৭ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে।
এছাড়া এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আমদানি করা বাদাম, আম, কমলালেবু, আঙুর, আপেল, নাশপাতি, ফলের রস, বিভিন্ন ধরনের টিনজাত ফল, রং, ডিটারজেন্টসহ আরও বেশ কিছু পণ্যে শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, মদ, পটেটো ফ্ল্যাকস, প্লাস্টিক ও ধাতব চশমার ফ্রেম, রিডিং গ্লাস, সানগ্লাস, বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও তাতে ব্যবহৃত তেল, বৈদ্যুতিক খুঁটি, সিআর কয়েল, এবং জিআই তারের ওপর সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এ ছাড়া এলপি গ্যাসের ওপর ভ্যাট ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
