২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের অভিজ্ঞতাকে বদলে দিতে পারে: নেইমার।

লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১ বছর আগে

নিজস্ব প্রতিনিধি:

উত্তর আমেরিকার তিন দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে এই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে।উত্তর আমেরিকার মানুষ, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মানুষ বিনোদনপ্রিয়। এই দেশগুলোতে বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের বসবাস থাকার কারণে উৎসব, আনন্দ আর শোভাযাত্রার আধিক্য দেখা যায়। বিশ্বকাপ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে এবং ফাইনালও অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বের অন্যতম ধনী ও প্রভাবশালী এই দেশটিতে। নেইমার নিজেও উত্তর আমেরিকায় ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজন দেখে উচ্ছ্বসিত। তার ধারণা, আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপ অন্যান্য আসরের তুলনায় সবচেয়ে বেশি উৎসবমুখর হবে, যা বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণরূপে পাল্টে দিতে পারে।ডিজনি+ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেইমার বলেছেন, “আপনারা দেখবেন বিশ্বকাপ কতটা চমৎকার হবে। আমি মনে করি এটা দারুণ হতে চলেছে। এটা অনেক কিছু বদলে দিতে পারে। সবার জন্যই এটা ভালো হবে।” সান্তোস তারকা আরও জানান, তিনি উত্তর আমেরিকার ক্রীড়া ইভেন্টগুলোর বিনোদনমূলক পরিবেশ উপভোগ করেন, যা বিশ্ব ফুটবলে এখনও তেমনভাবে আসেনি।নেইমারের মতে, “আপনি শুধু একটি বাস্কেটবল খেলা দেখতে এনবিএ-তে (ন্যাশনাল বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশন) যান না! সেখানে একটি শো হয়। বিরতিতে মানুষ নাচে। আবার একটি বিরতি আসে, তখন ভক্তরা এসে হুপে বল ছোঁড়ে। খেলার আগে বিখ্যাত কেউ জাতীয় সঙ্গীত গায়।” ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা আরও বলেন, “তারা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে, যাতে দর্শকদের যাওয়া সার্থক হয়। যদি আপনি এটাকে রেফারেন্স হিসেবে নেন, তবে এটা ব্রাজিলের জন্যও ভালো। ফুটবলে ৯০ মিনিটের খেলা হয় এবং হাফটাইমে কিছুই হয় না। সবাই স্টেডিয়ামের গেটে গিয়ে দাঁড়ায়, কারণ স্টেডিয়ামের ভেতরে কিছুই করার থাকে না।”নেইমার যোগ করেন, “কিছু জিনিস আলাদা করা হোক। বিনোদন অনেকভাবে নেওয়া যায়। এতে কারও মনোযোগ নষ্ট হবে না।” বর্তমানে চোটের কারণে ব্রাজিল জাতীয় দলে নেই নেইমার। তবে সুস্থ থাকলে আগামী বছর বিশ্বকাপে তাকে দেখা যেতে পারে। ৩৩ বছর বয়সী নেইমার এ পর্যন্ত তিনটি বিশ্বকাপে খেলেছেন এবং ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৯টি গোল করেছেন।