নিজস্ব প্রতিনিধি:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৬ হাজার শূন্য পদে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা জানান।ড. ইউনূস বলেন, “প্রধান শিক্ষকদের বেতনগ্রেড ইতোমধ্যে ১০ম হয়েছে। সাড়ে ৬ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সব স্কুলে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বসানো হয়েছে।
যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ সমস্যা আছে, সেখানেও বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ চলছে। স্কুল ভবন নির্মাণে নারী স্থপতিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।”ভাষণে তিনি আরও জানান, আগামী ফেব্রুয়ারিতে রমজানের আগেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং আগামীকাল থেকেই নির্বাচন কার্যক্রমের পূর্ণ যাত্রা শুরু হচ্ছে। এবার প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হচ্ছে।
কেউ যেন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে জোর দেন তিনি। এবারের নির্বাচনকে নাগরিক অধিকার রক্ষার আনন্দঘন উৎসব হিসেবে অভিহিত করেন প্রধান উপদেষ্টা।এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়—👉 দেশে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপরীতে অনুমোদিত প্রধান শিক্ষকের পদ রয়েছে ৬৫ হাজার ৫০২টি।👉 বর্তমানে ৩১ হাজার ৩৯৬ জন প্রধান শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন।👉 শূন্য পদ রয়েছে ৩৪ হাজার ১০৬টি।এর মধ্যে ২ হাজার ৬৪৭টি পদ সরাসরি নিয়োগযোগ্য, যার ১০% সংরক্ষণ রেখে অবশিষ্ট ২ হাজার ৩৮২টি পদে সরাসরি নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) চাহিদাপত্র প্রেরণ করেছে। শিগগিরই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
এছাড়া জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের গ্রেডেশন সংক্রান্ত মামলা (সিভিল আপিল ৭৩/২০২৩) নিষ্পত্তি হলেই সহকারী শিক্ষক হতে ৩১ হাজার ৪৫৯টি পদে পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।সারসংক্ষেপে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিনের শূন্যতা দূর করে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বড় পরিসরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে— যা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।—আপনার যদি এই বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য, প্রশ্ন বা সাহায্য দরকার হয় (যেমন: কবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসবে, কিভাবে আবেদন করবেন, যোগ্যতা ইত্যাদি), জানাতে পারেন।
