গফরগাঁওয়ে ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে পৌর ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে ইসরায়েলি পণ্য বর্জনের আহ্বান।

লেখক: মাহমুদুল হাসান
প্রকাশ: ১ বছর আগে

গফরগাঁও প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ :

গফরগাঁওয়ে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর নির্মম গণহত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নির্দেশনায় বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি করেছে গফরগাঁও পৌর ছাত্রদল। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরের মিনি স্টেডিয়াম থেকে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রবিউল আলম পাপ্পু তার বক্তব্যে বলেন, “দখলদার ইসরায়েল শুধু ফিলিস্তিনি জনগণের রক্তেই হোলি খেলছে না, বরং মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস-ঐতিহ্য, ধর্মীয় স্থাপনাও ধ্বংস করে দিয়ে এক ধরনের সাংস্কৃতিক গণহত্যা চালাচ্ছে। ইমানদার মুসলিম হিসেবে আমাদের দায়িত্ব এই বর্বরতা ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা গফরগাঁওবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই, ইসরায়েলি পণ্য বর্জন করুন। এটাই হবে আমাদের ন্যূনতম প্রতিবাদ। আমাদের প্রতিটি ক্রয় যেন হয় একেকটি প্রতিরোধের হাতিয়ার।”

অন্যান্য বক্তারা বলেন, “ইসরায়েল আজ পবিত্র ফিলিস্তিনের ভূমিতে ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও বর্বর গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। শিশু, নারী, বৃদ্ধ—কেউই রেহাই পাচ্ছে না এই নির্মমতা থেকে। এই গণহত্যা মানবতার বিরুদ্ধে এক গভীর অপরাধ।”

উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে
উপস্থিত ছিলেন গফরগাঁও পৌরসভা ছাত্রদলের সংগ্রামী যুগ্ন আহবায়ক নূর আল আহাদ অন্তর, সাউদ বিন হেলাল, আব্দুল্লাহ আল সিফাত, ১নং সদস্য হাসিবুল ইসলাম নবাব, সদস্য মোঃ আলামিন, ১ং ওয়ার্ড সভাপতি রানা মাসুদ, ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি মেহেদি হাসান কাজী ও সা: সম্পাদক শাহরিয়ার রোমান, ৪ নং ওয়ার্ড সভাপতি ইব্রাহীম ও সা: সম্পাদক সিদ্দিক, পৌর ছাত্রদল নেতা শান্ত শয়ন, রামিম, রিফাত, মিজান, অভি, সম্রাট, আলমগীর, ইমন, জাবেদ, আদর কাজী, মারুফ, ছোয়াদ সহ গফরগাঁও পৌরসভা ছাত্রদল এর আরও অসংখ্য নেতৃবৃন্দ

বক্তারা বলেন, “বিশ্ব সম্প্রদায় যখন নীরব, তখন আমাদের ন্যূনতম মানবিক দায়িত্ব হলো এই বর্বরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। ছাত্রদল সেই মানবিক দায়িত্ব পালন করছে এবং করবে।”

সমাবেশটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় এবং গফরগাঁওয়ের সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক সচেতনতা ছড়িয়ে পড়ে।