স্বপ্ন থেকে নেতৃত্বের পথে–এসএমজে ফাউন্ডেশনের অন্যান্য উদ্যোগ ।

লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

আলমডাঙ্গা প্রতিনিধি :

শিক্ষার্থীরা শুধু আগামী দিনের স্বপ্ন নয়, ভবিষ্যতের নির্মাতা। তারাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নেতৃত্বের আসনে আসীন হবে। তবে দিকনির্দেশনা, প্রেরণা ও পরিকল্পনার অভাবে অনেকে মাঝপথেই পথ হারিয়ে ফেলে। তাই তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে এসএমজে(সোসাল, মোটিভেশন, জাস্টিস এন্ড হিউম্যান রাইটস) ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো “ক্যারিয়ার গাইডলাইন সামিট’২৫”গতকাল বৃহস্পতিবার, সকাল ১১:০০ টায় আলমডাঙ্গার ভাংবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এ সামিটে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের কয়েক শত শিক্ষার্থী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক,বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আলমডাঙ্গা শাখার সেক্রেটারী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী খাইরুল ইসলাম, মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি’র আঞ্চলিক পরিচালক,বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আলমডাঙ্গা শাখার আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মমতাজুর মুর্শিদ কলিন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আলমডাঙ্গার সভাপতি আল আমিন হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধা তালিকায় ২য় স্থান অধিকারী সাবেক শিক্ষার্থী হাসানুল ইখতিয়ার কিরণ, নিগার সিদ্দিক ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক নাজমুল হুসাইন খান,ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি শাওন হোসেন রুমন, ইমরান হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ফাউন্ডেশনের শিক্ষা ও প্রচার সম্পাদক মর্তুজা আহমেদ, আরফিনসহ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, স্থানীয় অভিভাবক ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ, উচ্চশিক্ষায় সঠিক পথচলা, প্রযুক্তি ও দক্ষতার বিকাশ, নৈতিকতা এবং উদ্যোক্তা মানসিকতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণামূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।প্রভাষক খাইরুল ইসলাম ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন,”তোমাদের ফ্যামিলি থেকে যদি বাল্যবিবাহ দিতে চায় প্রয়োজনবোধে বিদ্রোহ করবা। তবুও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবা না।

“বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক একেএম জাহিদ হোসেন বলেন, “এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের জীবন ও ক্যারিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” এসএমজে ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর সহ-সভাপতি শাওন হোসেন বলেন,” আমরা চাই শিক্ষার্থীরা শুধু শিক্ষিত নয়, বরং দক্ষ, নৈতিক ও নেতৃত্বগুণে সমৃদ্ধ নাগরিক হোক। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীবান্ধব এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।”আলোচনার পাশাপাশি প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষার্থীরা সরাসরি দিকনির্দেশনা পাওয়ার সুযোগ পান।বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থী নুরুজ্জমান সজিব বলেন, “এই আয়োজন তাদের নতুন করে স্বপ্ন দেখতে এবং লক্ষ্য নির্ধারণ করতে অনুপ্রাণিত করেছে।

” ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়েশা সিদ্দিকা বলেন,”আমি ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখি। আজকের সামিট আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে পরিকল্পিতভাবে সেই লক্ষ্যে এগোতে হবে”সবশেষে সভাপতি তাঁর সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং অতিথি ও শিক্ষার্থীদের সাথে ফটোশনে অংশগ্রহণ করেন।