মঠবাড়িয়া রিক সংস্থার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো সমৃদ্ধি উন্নয়ন মেলা।

লেখক: এজাজ চৌধুরী
প্রকাশ: ১ বছর আগে

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ

নতুন প্রজন্মকে সুস্থ প্রতিযোগিতা ও সংস্কৃতির আলোয় গড়ে তোলার প্রত্যয়ে, রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) এর আয়োজনে এবং পল্লী-কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সহযোগিতায় মঠবাড়িয়া উপজেলার অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী সমৃদ্ধ উন্নয়ন মেলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা,, উক্ত অনুষ্ঠানের কার্যক্রম ছিল প্রদর্শনী মূলক স্টল,, দেয়ালিকা প্রদর্শন,, ক্রীড়া কার্যক্রম,, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম,, বিশেষ ব্যক্তিবর্গ সম্মাননা,, মেন্টর সম্মাননা,,এই উন্নয়ন মেলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ছিলো এক ভিন্ন রকমের আনন্দ ও উদ্দীপনার মিলনস্থল, যেখানে প্রতিযোগীরা তাদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব শামীম মিয়া ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপি,, সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ নাসির উদ্দিন সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক (রিক) প্রধান কার্যালয়,, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবু বক্কর সিদ্দিক বাদল সদস্য সচিব মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপি,, শেখ আতিকুল ইসলাম জোনাল ম্যানেজার( রিক) বরিশাল জোন,, হাবিবুর রহমান সদস্য সচিব প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মঠবাড়িয়ামোঃ জাহাঙ্গীর এরিয়া ম্যানেজার (রিক) মঠবাড়িয়া,, সুরাজ দাশ এরিয়া ম্যানেজার (রিক)ভান্ডারিয়া,উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক সুপ্রিয়া সাহা, সহকারী শিক্ষক নাসির উদ্দিনসঞ্চালনায় ছিলেন জনাব রাজীব কুমার সাহা সহকারী শিক্ষক মঠবাড়িয়াঅনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ সাইমুন হোসাইন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “এ ধরণের কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা কিশোর-কিশোরীদের সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থা করছি, যাতে তারা মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকে,, সম্মানিত অতিথি বলেন এ ধানের অনুষ্ঠানে কিশোর কিশোরীদের এবং তাদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বিকশিত হয়।” আমরা সর্বদাই চেষ্টা করব এ ধরনের ভালো ভালো সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে,,এছাড়া, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঘোপখালী স্পোর্টস ক্লাব ও পাঠাগারের সভাপতি মোঃ মাসুম বিল্লাহ, প্রতিষ্ঠাতা বেলাল নিজাম, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সাংবাদিক ও অভিভাবকগণ,,এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা বেশ আনন্দিত এবং উৎসাহিত হয়েছেন। তারা জানান, এই ধরনের প্রতিযোগিতা তাদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা এবং সাহসের জন্ম দিয়েছে, যা তাদের ভবিষ্যত গড়তে সহায়ক হবে।এ ধরনের উন্নয়ন মেলা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা কেবল তাদের মেধা ও সৃজনশীলতাকেই উজ্জীবিত করে না, বরং তাদের সমাজে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।